মুশফিককে অপেক্ষায় রেখে মধ্যাহ্ন বিরতিতে বাংলাদেশ                 ভারতকে গুড়িয়ে নিউ জিল্যান্ডের শততম টেস্ট জয়                 সালমান শাহ আত্মহত্যা করেছেন: পিবিআই                 মুশফিকের সপ্তম টেস্ট সেঞ্চুরি                 নগরীতে ২০ মিনিটের মধ্যে ছিনতাইকৃত গাড়ি উদ্ধার                 ভারতে ট্রাম্পের নিরাপত্তায় ৫ হনুমান!                 ঢাকা-সিলেট ৬ লেন: এডিবির অর্থ ফেরত যাওয়ার শঙ্কা                
১৩ই ফাল্গুন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ ২৬শে ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ইং বুধবার দুপুর ১২:৫৯ বসন্তকাল

 

 

 

ম্যানচেস্টারে আত্মঘাতী হামলা চালায় সালমান আবেদি

প্রকাশিত হয়েছে : ২:৪৬:১৬,অপরাহ্ন ২৪ মে ২০১৭ |
এ সংবাদটি পড়া হয়েছে 216 বার
ম্যানচেস্টারে আত্মঘাতী হামলা চালায় সালমান আবেদি

ওপেননিউজ ডেস্ক :: ম্যানচেস্টারের সলফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসা ও ব্যবস্থাপনা বিভাগ থেকে ঝরে পড়া ছাত্র সালমান আবেদি। ২২ বছর বয়সী এই তরুণই ভয়ঙ্কর আত্মঘাতী বোমা হামলাকারীতে পরিণত হয়। ম্যানচেস্টারে পপ কনসার্টে তার আত্মাঘাতী বোমা হামলায় নিরীহ ২২টি প্রাণ ঝরে পড়ে।
ব্রিটেনের তৃতীয় বৃহত্তম এই নগরীর লিবীয় মুসলিম পরিবারে জন্ম নেয় সালমান। খবর এএফপি’র।
পত্রিকায় খবরে বলা হয়, নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর কাছে তার সম্পর্কে তথ্য ছিল।
প্রভাবশালী পত্রিকা ফিনান্সিয়াল টাইমস জানায়, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সে একজন চরমপন্থী মুসলিমে পরিণত হয়।
সালমান নগরীর উপকণ্ঠের একটি মসজিদে নামাজ পড়ত। মসজিদে তার বাবাকে সবাই চিনত। এক সময় তিনি সেখানে মুয়াজ্জিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
জনপ্রিয় মার্কিন পপ তারকা আরিয়ানা গ্রান্ডের কনসার্টে ওই হামলায় বেশ কয়েকজন আহতও হয়।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে বলেন, ‘এই হামলার দুষ্কৃতকারী হচ্ছে সালমান রামাদান আবেদি। তিনি ব্রিটেনেই বেড়ে উঠেন।’
তিনি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করে একে ‘কাপুরুষোচিত’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
ডেইলি টেলিগ্রাফ পত্রিকা জানিয়েছে, বিগত ১০ বছর ধরে সালমানের পরিবার ম্যানচেস্টারের দক্ষিণে ফলোফিল্ড এলাকায় বাস করছিল।
ম্যানচেস্টারে হামলার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে নগরীর দক্ষিণাঞ্চল থেকে ২৩ বছর বয়সী এক তরুণকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, সালমানের বাবা-মা লিবিয়ার প্রয়াত স্বৈরশাসক মুয়াম্মার গাদ্দাফির শাসনামলে লিবিয়া ত্যাগ করেন।
বিবিসির মতে, ব্রিটেনে প্রায় ১৬ হাজার লিবীয় বাস করে এবং এদের অধিকাংশই ম্যানচেস্টারের বাসিন্দা।
২০১১ সালে গাদ্দাফি সরকারের পতনের পর ব্রিটেনের এই লিবীয় অধ্যুষিত এলাকাটির মানুষ উল্লাস প্রকাশ করে।
ম্যানচেস্টারের লিবীয় কমিউনিটির এক সদস্য গার্ডিয়ান পত্রিকাকে বলেন, ‘সে (সালমান) অত্যন্ত শান্ত ছেলে ছিল। সে আমাকে সব সময় সম্মান করত।’
তিনি আরো বলেন, ‘সালমানের ভাই ইসমাইল চঞ্চল প্রকৃতির। কিন্তু সালমান অত্যন্ত ভদ্র ও শান্ত ছিল। সে এ ধরনের একটি কাজ করার মতো ছেলে ছিল না। এটি তার ব্যক্তিত্ব ও চরিত্রের সঙ্গে বেমানান।’

সংবাদটি ভাল লাগলে শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  



AD

 

 

 

 

 

 

 

devolop ওয়েব হোম বিডি Mobile: 01711-370851