সাবেক মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরান আর নেই                 লকডাউনের নির্দেশনা পায়নি প্রশাসন : রেড জোন সিলেট                 বীর মুক্তিযোদ্ধার মৃত্যুতে জেলা ইউনিট কমান্ড ও স্বেচ্ছাসেবক কমিটির শোক                 আজ থেকে খুলছে ১৮ মন্ত্রণালয়ের অফিস : কাজ চলবে সীমিত                 মহানগর যুবলীগের সম্পাদক মুশফিক জায়গীরদারের ইফতার বিতরণ                 ইনজেকশন পুশ করার ৩ ঘন্টার মধ্যে সুস্থ করোনা আক্রান্ত !                 খাদ্য সামগ্রী নিয়ে অসহায়দের পাশে বিএনপি নেতা ছাত্তার                
২রা জ্যৈষ্ঠ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ ১৬ই মে, ২০২১ ইং রবিবার রাত ৮:৪৬ গ্রীষ্মকাল

 

 

 

‘বদরুল খাদিজাকে কুপিয়েছে, কলংকিত করেছে আমার ক্যাম্পাস’

প্রকাশিত হয়েছে : ১:৫৭:৩৫,অপরাহ্ন ০৫ ডিসেম্বর ২০১৬ |
এ সংবাদটি পড়া হয়েছে 342 বার
‘বদরুল খাদিজাকে কুপিয়েছে, কলংকিত করেছে আমার ক্যাম্পাস’

নিজস্ব প্রতিবেদক :: সিলেটে এমসি কলেজ ক্যাম্পাসে বদরুল আলমের চাপাতির কোপে কলেজছাত্রী খাদিজা বেগম নার্গিস হত্যাচেষ্টার প্রত্যক্ষদর্শী ফাহমিদা এলাহী বৃষ্টি আদালতে জানিয়েছেন, বদরুল খাদিজাকে কুপানোর সময় কিছু ছাত্র খাদিজাকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে বদরুল তাদের চাপাতি নিয়ে ধাওয়া করে। বৃষ্টি বলেন, আমার ক্যাম্পাস কলংকিত করেছে বদরুল। আমি তার সর্বোচ্চ শাস্তি চাই।
আজ (সোমবার) সিলেটের চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আাদালতের বিচারক মো. সাইফুজ্জামান হিরোর আদালতে স্বাক্ষ্য দেয়ার সময় বৃষ্টি একথা জানান। তিনি এই মামলার দশম স্বাক্ষী হিসাবে স্বাক্ষ্য প্রদান করেন।
এর আগে বেলা ১১টার দিকে বদরুলকে আদালতে তোলা হয়। খাদিজা হত্যাচেষ্টা মামলায় মোট ১৮ জনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ করার কথা রয়েছে।
গত ২৯ নভেম্বর চাঞ্চল্যকর এই মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ৫ ডিসেম্বর তারিখ নির্ধারণ করেন সিলেটের চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আাদালতের বিচারক মো. সাইফুজ্জামান হিরো। ওইদিন একমাত্র বদরুল আলমকে (২৯) অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র গঠন করা হয়।
এ মামলায় সাক্ষী মোট ৩৭ জন। এর বাইরে মামলার বাদীও সাক্ষ্য দেবেন। মামলার চার্জশিটে দ্বিতীয় সাক্ষী হচ্ছেন খাদিজা বেগম নার্গিস। আজ প্রথমদফার সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে পরবর্তীতে টানা সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ ধার্য হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে আদালতের অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি (এপিপি) মাহফুজুর রহমান জানিয়েছেন।
খাদিজার ওপর হামলার পর মামলা হওয়ার এক মাস পাঁচ দিনের মাথায় শাহপরান থানার উপপরিদর্শক হারুনুর রশিদ গত ৮ নভেম্বর অভিযোগপত্র (চার্জশিট) আদালতে দাখিল করেন। ১৫ নভেম্বর আদালতে অভিযোপত্রের শুনানি শেষে তা গৃহীত হয়।
উল্লেখ্য, গত ৩ অক্টোবর সিলেট এমসি কলেজ ক্যাম্পাসে বদরুল আলমের চাপাতির কোপে গুরুতর আহত হন খাদিজা। প্রথমে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তির পর সেখান থেকে ৪ অক্টোবর তাকে রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে এনে লাইফ সাপোর্ট দিয়ে রাখা হয়। স্কয়ার হাসপাতালে প্রথম দফায় নার্গিসের মাথায় ও পরে হাতে অস্ত্রোপচার করা হয়। তার অবস্থার একটু উন্নতি হলে লাইফ সাপোর্ট খুলে দেওয়া হয়। এরপর আইসিইউ থেকে এইসডিইউ-তে স্থানান্তর করা হয়। সেখান থেকে ২৬ অক্টোবর তাকে কেবিনে নেওয়া হয়। এরপর আবারো মাথায় ও হাতে অস্ত্রোপচার করা হয়। বর্তমানে অনেকটা ভালো অবস্থায় রয়েছেন খাদিজা।
হামলার দিন ঘটনাস্থল থেকে বদরুল আলম আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে জনতা। আদালতে হামলার দায় স্বীকার করে জবানবন্দিও দিয়েছেন বদরুল। হামলার দায়ে তাকে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থায়ী বহিস্কার করেছে শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

সংবাদটি ভাল লাগলে শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  



AD

 

 

 

 

 

 

 

devolop ওয়েব হোম বিডি Mobile: 01711-370851